
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ গত এক বছর ধরে স্বস্তি নেই জঙ্গিপুর পুরবাসীর। রাস্তা ঘাট পানীয় জলের থেকেও আর ও এক সমস্যায় বাড়িতে কাক বসতেও ভয় পায় বলে জানালেন এক পুরবাসী। তা হল কাউন্সিলরদের মধ্যে ঝগড়া। অথচ নির্বাচনে জিতে ২০২২ সালে তৃণমূল যে পুরবোর্ড গঠন করেছিল। কিন্তু নির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম পুর এলাকার উন্নয়ন তো করছেনই না উল্টে উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন। এই অভিযোগ তুলে বারবার বিরোধী কংগ্রেস ও বিজেপি কাউন্সিলররা তো বটেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন তৃণমূলের কাউন্সিলরদের একাংশও।
আর সেই অভিযোগে বৃহস্পতিবার পুরসভায় তৃণমূলের আট জন কাউন্সিলর ও বিরোধী তিন জন কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে এগারো জন কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিপক্ষে, তারমধ্যে কংগ্রেসের আট জন আর বিজেপি’র একজন রয়েছে। তবে পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিককে দেওয়া অনাস্থা প্রস্তাব এখনও গৃহিত হয়নি বলেই সূত্রের দাবি।
তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেনের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিধায়ক ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলররা। ঘাসফুলের এই দুই নেতার পারস্পরিক বিবাদ অজানা নয় দলের কারও। এই বিষয়ে জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, “ উন্নয়নের কাজের কোনও সমস্যা নেই। এটা বিধায়কের সিদ্ধান্ত। বিধায়ক আর ব্লক সভাপতিই বলতে পারবেন কেন অনাস্থা আনা হয়েছে। ”
বিজেপি সভাপতি সুবলচন্দ্র ঘোষ বলেন “আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা তৃণমূল কংগ্রেস দ্বারা পরিচালিত বোর্ডের অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন করেছি।” তবে প্রথমে রাস্তা তৈরির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এখন একটি আবর্জনা ফেলার জায়গা নিয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কাউন্সিলদের বিবাদ যে শেষ পর্যন্ত অনাস্থায় পৌঁছবে তা আন্দাজ করতে পারেনি কেউ, দাবি তৃণমূলের এক নেতার।