
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ ধৈর্য্যেরও একটা ধৈর্য্য আছে। দিনভর তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করে সন্ধ্যা গড়িয়ে যখন অন্ধকার গাঢ় হচ্ছে গাঁ-গঞ্জে সেই সময় ১৮০৪ জনের একটা তালিকা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। দাবি করা হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে “দাগি অযোগ্য” শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। সেই তালিকা কমিশনের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।
মুহূর্তে অ্যান্ড্রয়েড থেকে অ্যান্ড্রয়ডে ছড়িয়ে যায় দাগিদের তালিকা। কিন্তু মুর্শিদাবাদের বাতিল হওয়া শিক্ষকদের একাংশের দাবি ” চেনা দাগিদের নাম কৈ তালিকায় ?” তাঁদেরই একজন বলেন, ” গোটা তালিকা অন্তত পাঁচ সাতবার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখলাম কিন্তু আমার এক পরিচিত শিক্ষকের নাম তালিকায় নেই।” কান্দি মহকুমার একটি স্কুলের ওই শিক্ষকের বেতন আগেই বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক “যোগ্য শিক্ষক।”
আর এখানেই সন্দেহ দানা বাঁধছে। ১ হাজার ৪০০জন দাগি শিক্ষক ফের পরীক্ষায় বসতে চেয়ে আবেদন করেছিল। কমিশন তাদের নাম বাদ দিয়েছে আজ। কিন্তু এখনও অনেকের নাম দাগিদের তালিকায় থাকার কথা থাকলেও তাদের নাম নেই কেন প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষকরা। মাস তিনেক আগে যাদের ‘অযোগ্য’ বলে দেগে দিয়ে বেতন বন্ধ রেখে দিয়েছে সরকার, সেই তালিকাও কি তবে কাটছাঁট হয়েছে। ফের কি অসততার পথে হাঁটছে সরকার কিংবা কমিশন। প্রশ্ন অনেক আর উত্তর গিয়েছে গুলিয়ে। অঙ্কিতা চক্রবর্তী, নিজামুদ্দিনদের মতো যোগ্য শিক্ষকরা অবশ্য বলছেন, ” আর কোনও প্রশ্ন নেই, আর কোনও উত্তর নেওয়ার জায়গা নেই। এখন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া ছাড়া আর কোনও লক্ষ্যও নেই।”