জেলা বইমেলা কমিটিতে ব্রাত্য সুব্রত, হুমায়ুন, আঁধারে তৃণমূলও

Social Share

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলা বইমেলা। আর সেই মেলা শুরুর আগেই বিতর্কে জড়ালো মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। একগুচ্ছ অতিথি তালিকা থেকে বাদ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়কের। নাম নেই সদ্য তৃণমূল ত্যাগী জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরেরও। তৃণমূলের যে বিধায়কদের নাম উজ্জল অক্ষরে আমন্ত্রণ পত্রে ছাপা হয়েছে আঁধারে তাঁরাও, দাবি একাংশের। জেলা প্রশাসনের কাছে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এই ঘটনায়।

বছরে একবার জেলা বইমেলার আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গ্রন্থাগার পরিষেবা অধিকার ও মুর্শিদাবাদ জেলা স্থানীয় গ্রন্থাগার কৃত্যকের তত্বাবধানে জেলায় জেলায় হয় বইমেলা। মুর্শিদাবাদও তার ব্যতিক্রম নয়। বাম আমলে রাজ্যের খ্যাতনামা সাহিত্যিকরা এই মেলার উদ্বোধন করলেও পরিবর্তনের জমানায় শেষ কয়েক বছর ধরে এই মেলা উদ্বোধনের ভার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর কাঁধেই বর্তেছে। তিনি রাজ্য সরকারের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। এবারও বইমেলা বসছে বহরমপুর ব্যারাক স্কোয়ারের মাঠে। আগামী কাল মেলার উদ্বোধন। তার নিমন্ত্রণ পত্র পৌঁছে গিয়েছে অতিথি অভ্যাগতদের হাতে। সেই তালিকায় নাম নেই বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়কদের।

বিষয়টি তাঁদের অজানা বলে দাবি করেছেন জেলা বইমেলা কমিটির সম্পাদক রানি নগরের বিধায়ক সৌমিক হোসেন, জেলা বইমেলা কমিটির সহ সভাপতি লালগোলার বিধায়ক মহম্মদ আলিরা। তাঁরা দুজনেই দাবি করেন, বইমেলা সংক্রান্ত কোনও বৈঠকে তাঁদের ডাকা হয়নি।

নিয়ম অনুযায়ী সরকারি অনুষ্ঠানে মন্ত্রী উপস্থিত থাকলে সরকার পক্ষের বিধায়করা ডাক পান সেখানে। সেই হিসেবেই তৃণমূলের বিধায়করা ডাক পেয়েছেন বইমেলায়। তাঁদের আমন্ত্রণ করায় প্রশাসনের কর্তাদের আলাদা কোনও অবদান নেই বলেও এদিন শাসক কন্ঠে দাবি ওঠে। তবে বিসদে জানতে বইমেলা কমিটির সম্পাদক তথা ভারপ্রাপ্ত জেলা গ্রন্থাগার আধিকারিক অমিত সাহাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি, ফোন ধরেন নি মেলার কার্যকরী সভাপতি অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) চিরন্তন প্রামাণিকও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights