রাতে অ্যাডমিট পেয়ে আজ সকালে উচ্চমাধ্যমিকে বসছে শম্পা

Social Share

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ আজ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার চতুর্থ তথা চুড়ান্ত সিমেস্টারের পরীক্ষা। সকাল দশটা থেকে পরীক্ষা শুরু। আর সেই পরীক্ষায় বসার অ্যাডমিট কার্ড এলো রাত সাড়ে আটটায়। তারসঙ্গে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো পরীক্ষার হাওয়ায় বাংলা জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম শ্রমিক সংগঠন। তবে সব দুঃশ্চিন্তা কাটিয়ে আজ সাতিতারা এনজিএনএস বিদ্যাপীঠ স্কুলে বাংলা পরীক্ষা দিতে বসবেন বড়ঞা হাইস্কুলের ছাত্রী সিম্পা বাগদি।

চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে সিমেস্টার পদ্ধতিতে। যা দেশের মধ্যে প্রথম বলে প্রথম থেকেই গলা উঁচিয়ে কৃতিত্বের দাবি করেন সংসদের কর্তারা। মুর্শিদাবাদ জেলায় ছেলেমেয়ে মিলিয়ে প্রায় ৫১ হাজার ৯৬৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন চতুর্থ সিমেস্টারে। তৃতীয় সিমেস্টারে অকৃতকার্য ৬ হাজার ৫৫৪ জন পড়ুয়াও ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু সেই পরীক্ষার সঠিক অ্যাডমিট কার্ড ছাত্রদের হাতে পৌঁছে দিতে গিয়ে হিমসিম খেয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। পরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে পাল্টা বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তাঁরা। এমনিতেই এখন স্কুলগুলিকে অ্যাডমিট কার্ড প্রিন্ট করে দিতে হয় পড়ুয়াদের। সংসদ সফট কপি স্কুল মেইলে পাঠিয়েই কাজ সেরেছে। এবার আবার সেই অ্যাডমিট কার্ড কোথাও কোথাও দু’বার প্রিন্ট করতে হয়েছে স্কুলকে, তাও সংসদের গলদের কারণেই। দিন চারেক আগে সংশোধিত অ্যাডমিট কার্ড পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করে ওয়েবসাইটে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছিল সংসদ। সেই নোটিশ পেয়ে ক্ষুব্ধ হয় একাংশ প্রধান শিক্ষক।

একদিকে শেষ বেলায় পড়ুয়াদের হয়রানি তারওপর অ্যাডমিট কার্ড স্কুলকেই ছাপিয়ে পরীক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে কাউন্সিল থেকে। ফলে তা ছাপার জন্য কালির খরচ যেমন রয়েছে তেমনি অন্যদিকে বাইরে থেকে প্রিন্ট করে নিয়ে আসলেও সেই টাকা মেটানোর জন্য টাকায় টান পড়ছে স্কুলের। যদিও মুর্শিদাবাদ জেলার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার অন্যতম আহ্বায়ক সুদীপ সিনহা রায় বলেন, ” পরের বার যে ভুল হয়েছে বলে এতো মাতামাতি হচ্ছে তার সংখ্যা নিতান্তই কম। স্কুলগুলিও কিছু মনে করছে না। এক্ষেত্রেও নিজের দোষেই অ্যাডমিট কার্ড দেরিতে পেয়েছেন পরীক্ষার্থী। সাংসদ সভাপতি মানবিক বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।” তিনি আশা করছেন, “আজ সবকিছু সুন্দরভাবে উতরে যাবে পরীক্ষার্থীরা, আমারাও সফল হতে সব দিক থেকে প্রস্তুত।” পরীক্ষার্থীদের অবশ্য ধর্মঘটের আওতায় রাখা হয়নি বলে অবশ্য দাবি করেন ধর্মঘাটিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights