
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ আজ তৃণমূলের বহরমপুরের সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে কি থাকবেন হুমায়ুন কবীর ? যদিও সংগঠনে তাঁর কোনও পদ না থাকায় বৈঠকে ভরতপুরের বিধায়কের থাকার সম্ভাবনা কম। তবু বৈঠক আবর্তিত হবে হুমায়ুনকে ঘিরেই।
দিন সাতেক পরে তাঁর নতুন দল করার কথা। যদিও সেই ঘোষণার সঙ্গে তিনি জুড়ে দিয়েছিলেন শর্ত। যদি দল তাঁর ইচ্ছে পূরণ না করে তবেই তিনি নতুন দল গড়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২০২৬ এর নির্বাচনে নামবেন। কী সেই ইচ্ছে? তাঁর ইচ্ছে তাঁর বিধানসভা এলাকার ভরতপুর এক ও ভরতপুর দুই ব্লকের দলের ব্লক সভাপতিদের অপসারণ। হুমায়ুনের দাবি, তিনি ডান দিকে গেলে বাম দিক দিয়ে হাঁটেন নজরুল ইসলাম ওরফে টারজান ও মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন।
আর তাঁদের সেই কাজে উস্কানি দেন জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার ওরফে ডেভিড স্বয়ং। একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি মঞ্চে সেই ব্লক সভাপতিদের ডেকে এনে তাঁকে অপমান করেছেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকার। আর সেই ঘটনার পরেই হুমায়ুন দলের জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে “অল আউট বিদ্রোহ” ঘোষণা করেছেন বলে মত তাঁর অনুগামীদের। বহুবার জেলা নেতৃত্ব ও রাজ্য নেতৃত্বকে বলেছেন বিধায়ক। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা। তাঁর কথায় কান দেননি কেউ।যদিও সেই ক্ষোভকে সমর্থন করেছিলেন তৃণমূলের বহরমপুর সংগঠনের চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ।
দলের রাজ্য নেতারা কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সূত্রের দাবি, দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে হুমায়ুনের হাত শক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই বার্তাই কি অপূর্বদের দেবেন আজকের বৈঠকে? সেই দিকেই তাকিয়ে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।