সংবাদ প্রতিনিধি, কলকাতাঃ বাইশ দিন আগে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন প্রশিক্ষণরত এক তরুণী চিকিৎসক। দায়িত্ব নেওয়ার পরে এখনও সেই মামলার সুতো জুড়তে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বিচার চেয়ে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জুনিয়র চিকিৎসকদের এখনও কর্মবিরতি চলছে। তাঁদের সঙ্গে দেখা করে সহমর্মিতা জানাতে গেলে শনিবার অধীরের পথ আটকায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, রাজনীতির নেতাদের এখানে ঢুকতে দেওয়া মানা। তাই অধীরের পথ আটকানো হয়। দলীয় পতাকা ছাড়াই তিনি একজন নাগরিক হিসেবে আন্দোলনরত চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। তাঁদের পানীয় জল সহ অন্যান্য সামগ্রী প্রয়োজনে দিতে চান বলে অধীর পাল্টা দাবি করেন। তবু পুলিশ তাঁকে সেই অনুমতি দেয় নি। যদিও তাতে চিকিৎসকদের সঙ্গে তাঁর দেখা হওয়া আটকানো যায়নি। চিকিৎসক প্রতিনিধি এসে অধীরের সঙ্গে দেখা করেন।
পরে রাজ্য পুলিশের তৎপরতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তিনি বলেন, “পুলিশের এই তৎপরতা সেদিন থাকলে আমাদের ঘরের মেয়েকে হারাতে হত না। পরিবার থেকে গোটা দেশ বিচার চাইছে। সবকিছু লুট হয়ে গেল তখন পুলিশের কোনও হেলদোল ছিল না। কলকাতা পুলিশের চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।” শুধু তাই নয়। পানিহাটিতে নির্যাতিতার বাবা মাকে পুলিশ ‘নানা বাহানায়’ গৃহবন্দি করে রেখেছে বলেও সংবাদ মাধ্যমের দাবি করেন অধীর। তিনি বলেন, “এই পুলিশই নির্যাতিতার বাবা-মাকে টাকা অফার করেছিল মুখ বন্ধ রাখতে বলেছিল।” শুধু তাই নয় আরজিকরে যে চিকিৎসক সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সেই সিন্ডিকেটকেও তদন্তের আওতায় আনার জন্য আরজিকর হাসপাতালের সামনে থেকে দাবি তোলেন কংগ্রেস প্রতিনিধিরা।
প্রসঙ্গত, হাসপাতালে যাওয়ার আগে পানিহাটিতে নিহত চিকিৎসকের বাড়ি গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। সেখানে কিছুক্ষণ ওই চিকিৎসকের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। যদিও এদিনই প্রথম নয়। ১৪ অগস্টও ওই চিকিৎসকের বাড়ি গিয়েছিলেন অধীর।
আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রতিবাদে শামিল রঞ্জিত মল্লিকও