সংবাদ প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদঃ পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই খুন হয়েছেন রফিকুল হাসান? না কি অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর না পাওয়ায় মৃত্যুর একশো দিন পরে কবর থেকে দেহ তুলে ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল মুর্শিদাবাদ জেলা আদালত।
রফিকুল মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলের বাসিন্দা ছিলেন। একশো দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার সূত্রে দাবি, তাঁর নামের সম্পত্তি জোর করে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে রফিকুলের ভাইদের নামে। মৃতের স্ত্রী জানায়, স্বাভাবিক মৃত্যু হলে রফিকুলের গলায় কালশিটে দাগ কেন থাকবে? আর মুখ দিয়ে রক্তই বা কেন বেড়বে?
কবর দেওয়া হয়ে যাওয়ার পর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন মৃতের স্ত্রী ও সন্তান। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামে। সিজেএমের নির্দেশে পুলিশ একশো দিন পরে কবর থেকে রফিকুলের হাড় কঙ্কাল দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায় মঙ্গলবার। যদিও অভিযুক্তে পক্ষে দাবি করা হয়, অসুস্থতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রফিকুলের। তাঁদের আরও দাবি,গত পনের বছর ধরে রফিকুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর কোনও সম্পর্ক ছিল না।