
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ সবেবরাতের ছুটিতেও শহরে যানজট। মাধ্যমিক পরীক্ষা অবশ্য নেই। কিন্তু কাল শনিবার মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা আছে। এমন সময় একটা ছুটিতে শহরে যানজট তৈরি হওয়ায় শঙ্কা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী থেকে অভিভাবক সকলের। যদিও বরাভয় দিতে পিছপা নেই প্রশাসনের।
বহরে বেড়েছে শহর বহরমপুর। চেনা চৌহদ্দির বাইরে বেড়িয়ে একসময়ের অল্প পরিচিতি রাস্তা আজ ব্যস্ততার তকমা পেয়েছে। কাশিমবাজার ঢুকতে ও বেড়তে হোতাসাঁকো তেমনই একটি রাস্তা। এই সাঁকো দিয়ে চারদিকের মানুষ যাতায়াত করে। ইন্দ্রপ্রস্থ ও সৈদাবাদের মানুষজন হোতাসাঁকো পেরিয়ে কেউ চলে যান পঞ্চাননতলার দিকে। কাশিমবাজার বড় রাজবাড়ির দিকে এগিয়ে যাবেন কেউ। সেই রাস্তাতেই শুক্রবার যানজটে নাকাল হতে হল বহরমপুরবাসীকে। ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও তা সামাল দিতে সাত সকালেই কালঘাম ছুটে যায় আধিকারিকদের।
ওই সাঁকো সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি গোডাউন। কাশিমবাজার স্টেশনে মালগাড়ি থেকে মালবোঝাই ট্রাক ওই এলাকায় চলাচলের কারণেও যানজটের প্রভাব পরে সাঁকোয়। বড় গাড়ি ছোট রাস্তায় চলাচল করে। তার জেরেও যানজট তৈরি হয়। যদিও মিনি ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের সহ সম্পাদক সাজিদুর রহমান বলেন, ” আজ হয়তো কোনও কারণে ওই রাস্তায় যানজট তৈরি হয়েছে। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন একদম নিয়ম করে পরীক্ষা শুরু ও শেষের একঘন্টা পর্যন্ত চালান কাটা বন্ধ থাকে। যাতে ট্রাক চলাচলের জন্য পরীক্ষার্থীদের চলাচলের অসুবিধা না হয়।”
এই সাঁকো চওড়া করার প্রস্তাব দিয়ে লোকসভা নির্বাচন যুদ্ধে নেমেছিলেন প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। ওই প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কর্তারা সরেজমিনে দেখেও গিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট পরবর্তী সময়ে কাজ শুরুর আগে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল তার থেকে বেশি অর্থের প্রয়োজন। পুরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবন রায় সেই দাবি করে জানান, “ওই রাস্তা চওড়া করবে বহরমপুর পুরসভা।”
তিনি আরও বলেন ” ওই রাস্তায় মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ট্রাফিকের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে যানজট না হয়। তবে রাস্তা চওড়া করার কাজ তাড়াতাড়িই শুরু হবে। রাস্তা চওড়া হলে ভোগান্তি কমবে” ।