সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ নির্বাচন কমিশন কী করছে তা ভোটারদের জানবার অধিকার আছে। সুপ্রিম কোর্টেও আমরা বলেছিলাম স্বচ্চতার জন্যই নির্বাচন কমিশন। Chief Election Commission (CEO) রাজীব কুমার জন্মুতে এই কথাগুলি বলেছেন। সেই সঙ্গে তিনি এটাও বলেছেন, “সময়মতো আমরা নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করব।”
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া জানায়, ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২২,২১৭টি নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে। প্রসঙ্গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ড প্রকল্প বাতিল করে। তার মধ্যে ২২,০৩০টি বন্ড ভাঙিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাকি ১৮৭টি বন্ড, নিয়ম মেনে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলে জমা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনী বন্ড পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে সেগুলি না ভাঙালে ওই অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে চলে যায়।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন ২০১৮ সালে প্রয়াত অরুণ জেটলি নির্বাচনী বন্ডের কথা ঘোষণা করেছিলেন। মোদি সরকার ভোটে কালো টাকার খেলা বন্ধ করতে এই বন্ড চালুর কথা বলেছিলেন।২০১৭-র অর্থ বিলের মাধ্যমে আইনে একগুচ্ছ সংশোধনী এনে মোদী সরকার ২০১৮ থেকে নির্বাচনী বন্ড চালু করেছিল। এর ফলে কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে চাইলে, বন্ড কিনে সংশ্লিষ্ট দলকে দিতে হবে। এক হাজার, ১০ হাজার, এক লক্ষ, ১০ লক্ষ এবং এক কোটি টাকা মূল্যের বন্ড পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক দলগুলি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারবে। যদি কোনও দল তা না ভাঙায় তবে সে টাকা প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে জমা পড়বে। কিন্তু কে, কত টাকা দিচ্ছেন তা বোঝা যাবে না। তার পরই এই নির্বাচনী বন্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে।