
বিদ্যুৎ মৈত্র, বহরমপুরঃ হাল্কা শীতেই ডিমের দাম বেড়ে এখন প্রতি ডিমের দাম আট টাকা। আর সরকারের বরাদ্দ মাত্র ৬.৫০ টাকা। এমনিতেই মেলেনি তিন মাসের বকেয়া বিল, যেখানে ধরা আছে আনাজের দাম, জ্বালানি খরচ। এভাবে চললে হাঁড়ি চড়বে না অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। প্রাপ্য সাম্মানিক থেকে টাকা দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংসার চললেও চলবে না নিজেদের ঘর সংসার। এমনিতে ধার বাকিতে চালে প্রতি মাস, স্বচ্ছলতা দূর অস্ত কি বা সংসারে কি বা কেন্দ্রে। এমনটাই দাবি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য আইসিডিএস কর্মী সংগঠনের মুর্শিদাবাদ জেলা সম্পাদক তহমিনা খাতুনের।
জেলার সদর শহর বহরমপুরে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় সভা। আর মুখ্যমন্ত্রী জেলায় থাকার সুবাদে সেই বার্তাই পাঠাতে চাইছেন আইসিডিএস কর্মীরা। এর আগে লোকসভা নির্বাচনে জিতে মুর্শিদাবাদের লালবাগে প্রশাসনিক সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন মমতা। সেদিনই ঘোষণা করেছিলেন তাঁদের ফোন কিনে দেবে সরকার। সেই ঘোষণার প্রায় এক বছরের মাথায় কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার করে টাকা মিলেছে। কিন্তু সেই টাকায় দ্রুত গতির ফোন কেনা সম্ভব নয়। ৪ জি ফোন কেনা গেলেও ৫জি ফোন কিনতে গেলে টাকায় টান পড়ছে। এখনও সরকারি কোনও সিম কার্ড বরাদ্দ হয়নি তাঁদের জন্য, বরাদ্দ ১৬৬ টাকায় সারা মাস কাজের কথা বলা দায়। কিন্তু সে কথা হাজার বার বলার পরেও কানে তোলে না প্রশাসন। সরকারেও হেলদোল নেই কোনও।
এদিন তহমিনা বলেন, ” যাঁদের জন্য আমাদের কাজ অবহেলিত হচ্ছে সেই নিচু তলার মানুষও। শুধু ভাষণ দিয়ে আর মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সভা করে সরকারি অর্থ নয়ছয় করছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমরা সেই আবেগে ভুলছি না।”
একইভাবে বেঙ্গালুরুতে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকদের একটা অংশ। নওদার শ্রমিক ও সিপিএমের পরিযায়ী শ্রমিক সংগঠনের নেতা আব্দুর জব্বার বলেন, ” কারা পেয়েছে পাঁচ হাজার টাকা করে তার তালিকা সবার সামনে প্রকাশ করুন মুখ্যমন্ত্রী। আমি যেখানে থাকি সেখানে রাজ্যের ২৬ লক্ষ পরিযায়ী কাজ করেন। তাঁরা এক টাকাও পাননি। যাঁরা পেয়েছেন তাঁরা তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের কাছের লোক যাঁরা জনসভায় ভিড় করে।”