সুকান্তের জন্মশতবর্ষ উদযাপন বাম ছাত্র-যুবদের

Social Share

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে তাঁকে বঙ্গবাসীর স্মৃতিতে ফেরাল ডিওয়াইএফ। শনিবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কবির জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। কোথাও পদযাত্রা, কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কোথাও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মদিনে “সময় হয়েছে নতুন খবর আনার” ট্যাগ লাইনে ছাত্র-যুব উৎসবেরও সূচনা করলেন সিপিএমের ছাত্র-যুবরা। বহরমপুরেও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে কবিকে স্মরণ করেন এসএফআই, ডিওয়াইএফের নেতা কর্মীরা।

বাংলার ১৩৩৩ সালের ৩০ শ্রাবণ কবি সুকান্তের জন্ম। বেঁচে থাকলে আজ একশো বছরে পা দিতেন কবি। তিনি প্রয়াত হন মাত্র একুশ বছর বয়সে। বাংলার আর এক কবি প্রয়াত সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন “জীবনের অভিজ্ঞতাকে ক্ষমতায় বেঁধে সুকান্ত যখন কবিতার বিদ্যুৎশক্তিকে কলকারখানায় ক্ষেতে খামারে ঘরে ঘরে সবে পৌঁছে দিতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই মৃত্যু তাঁকে কেড়ে নিয়ে গেল। আরম্ভেই সমাপ্তির এই শোকে বাংলা সাহিত্য চিরদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলবে।”

সেই কবির সঙ্গে নয়া প্রজন্মের পরিচয় করিয়ে দেওয়াও সুকান্তের জন্মদিন উদযাপনের আর একটি উদ্দেশ্য বলে এদিন দাবি করেছেন ছাত্র-যুব নেতারা। বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ স্কুলে কিশোর-কিশোরীদের জন্য ছবি আঁকা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

ডিওয়াইএফের মুর্শিদাবাদ জেলা সম্পাদক সন্দীপন দাস বলেন, “সুকান্ত থেকে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত প্রজন্মকে চেনানোর দায় সমাজের। সেক্ষেত্রে আমরাও দায়বদ্ধ। নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস, নজরুল-রবীন্দ্রনাথের ইতিহাস সবটাই জানতে হবে।কিন্তু কোথাও শিক্ষায় পাঠ্য বইতে ক্ষুদিরামকে আতঙ্কবাদী হিসেব পরিচয় করানো হচ্ছে। সেটাই দুর্ভাগ্যের। এই প্রজন্মকে এদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চক্রান্ত যা করেছে আরএসএস, তাই মানছে রাজ্যের সরকার। তার বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। সারা বছর ধরে তাঁর জন্ম শতবর্ষ পালিত হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights