
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করতে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত স্থানে চলে এসেছেন হুমায়ুন কবীর। ভিড় ভেঙেছে মারদিঘিতে। আবার সেই মুর্শিদাবাদের কাশিমবাজারে রাম মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে শিলা পুজো সেরে নিলেন বিজেপি নেতা শাখারভ সরকার।
কাশিমবাজার পূর্বাশা ক্লাবের মাঠে আজ ডিসেম্বরের ছ’তারিখ শিলা পুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা। সেখানে রামের বাঁধানো ছবি পুজো করতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। তবে এখানেই রামমন্দির নির্মাণ হবে না। শাখারভ বলেন, “রাম মন্দিরের জন্য জমি ঠিক হয়ে আছে। শুধুমাত্র জমির মালিক বাইরে থাকার কারণে ও জমি নিয়ে আইনি জটিলতা আছে। সেটা মিটে যাবে। সেখানে রাম মন্দির ছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার উন্নয়নের জন্য হাসপাতাল ও শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি হবে।”
তিনি আরও জানিয়েছে ” সারা বাংলায় অনেক বাড়িতে শিলা পুজো হচ্ছে আজ, সেই শিলা অর্থাৎ ইঁট আসবে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন। তবে সেখানে তেমন ভিড় নেই। আড়ম্বর দেখানো আমাদের কাজ নয় দাবি করে শাখারভ বলেন, ” আগামী কাল শৌর্য দিবস পালিত হবে কলকাতায়। সেখানে পাঁচ লক্ষ মানুষের গীতাপাঠ হবে। সাধু সন্ন্যাসীরা ব্যস্ত থাকায় তাঁরা আসতে পারেন নি। কিন্তু বিজেপির হাতিনগর পঞ্চায়েতের প্রধান, মন্ডল সভাপতি কার্যকর্তারা অনেকেই উপস্থিত আছেন।”
বিজেপি বহরমপুর সংগঠনের সভাপতি বলেন, ” এটা বিজেপি-র কোনও উদ্যোগ নয়। বিজেপি সভাপতি হিসেবে আমি সে দাবি করছিও না। ব্যক্তিগতভাবে যেটা বলতে পারি তা হল মন্দির হোক আর, মসজিদ যেখানে খুশি নির্মাণ হোক, যে কেউ করুক, কিন্তু সেখানে যেন ভক্তিভাব থাকে।”
হুমায়ুনও আগাম বলে রেখেছেন বাবরি মসজিদ যেখানে তৈরি হচ্ছে সেখানেও হাসপাতাল তৈরি হবে ভবিষ্যতে। যদিও অধীর চৌধুরী দাবি করেছেন, ” দিনভর মন্দির আর মসজিদের আড়ালে চলে গিয়েছে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন।” সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন, “বাম সরকারের আমলে যে সম্প্রীতি ছিল তা আজ আর নেই। আরএসএস, বিজেপি আর তৃণমূলের মধ্যে একটা নেক্সাস তৈরি হয়েছে।”