
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ পূর্ব রেলের লালগোলা-শিয়ালদহ শাখায় বন্ধ থাকবে রেল চলাচল। রবিবার ওই শাখায় আপ ও ডাউন মিলিয়ে দু-জোড়া ট্রেন বাতিলের কথা জানিয়েছে রেল। তাছাড়া ওইদিন আরও চার জোড়া ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। আরও ছ’টি ট্রেন বেশ দেরিতে ছাড়বে বলে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের লাইফ লাইন ট্রেন। তা বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বাড়বে রেল যাত্রীদের।
রেল সূত্রে জানা যায়, বহরমপুরে স্টেশন লাগোয়া সাবওয়ের নির্মাণের জন্য এই অসুবিধা হবে। ওইদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত রেল চলাচল বন্ধ থাকবে। তারজন্য সেদিন কোনও ট্রেন সারগাছি থেকে ছাড়বে। কোনও ট্রেন কৃষ্ণনগর থেকে ছাড়বে। একইভাবে উল্টোদিকের ট্রেনগুলিও হয় সারগাছিতে এসে থামবে না হয় কৃষ্ণনগরে এসে থামবে।
রেলের দেওয়া তথ্যানুসারে, শিয়ালদহ যাওয়ার জন্য বহরমপুর থেকে যে ট্রেনটি বেলা বারোটায় ছাড়ে, ওইদিনের জন্য কৃষ্ণনগর থেকে ছাড়বে এই ০৩১৯৬ ডাউন ট্রেনটি। একইভাবে আপ ০৩১১৫ ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে সকাল সাড়ে দশটায় ছাড়লেও ওইদিন কৃষ্ণনগর পর্যন্ত আসবে।
বেলা একটা এগারোয় বহরমপুর থেকে ছেড়ে যে ৩১৭৭০ ট্রেনটি রানাঘাট পর্যন্ত দৈনিক যায় সেই ট্রেনটি সারগাছি স্টেশন থেকে ছাড়বে। আবার সকাল ন’টায় রানাঘাট থেকে ছেড়ে বহরমপুরে যে ট্রেনটি পৌনে বারোটা নাগাদ বহরমপুরে আসে সেই ৩১৭৭৩ আপ ট্রেনটি রবিবার সারগাছিতে যাত্রা শেষ করবে রেলের কাজের জন্য। কৃষ্ণনগর-লালগোলা ৩১৮৬১ আপ ট্রেন যেটি সকাল দশটা ৪০ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে ছাড়ে ওই ট্রেনটিও সারগাছিতে সেদিনের যাত্রা শেষ করবে। সারগাছি থেকে ডাউন ৩১৭৭৪ ট্রেনটি রানাঘাটের উদ্দেশ্যে বেলা তিনটের সময় ছেড়ে যাবে। ৩১৭৬৯ আপ ট্রেন রানাঘাট থেকে দৈনিক দুপুর একটা পনের মিনিটে ছাড়ে সেই ট্রেনটিও রবিবার সারগাছিতে থামবে। সারগাছি থেকে ডাউন ৩১৮৬৪ ট্রেনটি কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে সন্ধ্যা ছ’টায়।
তবে আপ ০৩১৯৩ কলকাতা-লালগোলা, যে ট্রেন বহরমপুরে পৌঁছায় সন্ধ্যা ছ’টায়, আপ ০৩০১৯ কৃষ্ণনগর-আজিমগঞ্জ ট্রেন, বহরমপুরে রাত ন’টা কুড়ি নাগাদ পৌঁছায়, আবার বহরমপুর থেকে সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ কলকাতার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় যে ০৩১৯৪ ডাউন ট্রেন ও আজিমগঞ্জ থেকে ছেড়ে বহরমপুরে বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে যায় ০৩০২০ ডাউন ট্রেনের চলাচল পুরোপুরি বন্ধই থাকবে।
আরও বেশ কিছু ট্রেন দেরিতে ছাড়া ও পৌঁছানোয় দিনভোর অসুবিধার মুখে পড়তে হবে রেল নির্ভর যাত্রীদের। তা একদিনের জন্য বন্ধ থাকলে যোগাযোগ ছাড়াও বন্ধ হয়ে যায় বহু মানুষের রোজগার। অসুবিধায় পড়তে হয় রোগীদেরও।