সভাধিপতির বিরুদ্ধে সরব মুর্শিদাবাদের জেলা পরিষদের সদস্যরা

Social Share

সংবাদ প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদঃ মুর্শিদাবাদ জেলাপরিষদের সদস্যরা কে ক’টি করে ঘর পাবেন তা বেঁধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সেই মতো জানা যায় প্রত্যেক সদস্যকে সাতটি করে গৃহ নির্মাণের প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। অথচ যাদের ভাগে সেই ঘর তৈরির ভাগ পড়েছে জেলা পরিষদের সেই সব সদস্যরাই জানেন না কীভাবে সেই ঘর বরাদ্দ হল। আর কেই বা তাতে সম্মতি দিল। সমাজমাধ্যমে এই নিয়ে সরব হতেই বরাদ্দ ঘরের সংখ্যা বেড়ে সাত থেকে দশ হয়ে যায়। অথচ লিখিত সেই নির্দেশে কারও সাক্ষর নেই। এই অভিযোগ তুলে সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ-সভাধিপতি শাহনাজ বেগম।

কেউ কেউ বাংলাদেশের ঘটনা উদাহরণ হিসেবে টেনে সভাধিপতি রাবিয়া সুলতানাকে সতর্ক ও করেছেন সমাজমাধ্যমে। শুধু শাহনাজ নন, সভাধিপতির ‘তুঘলকি’ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন জেলা পরিষদের অন্য সদস্যরাও। অভিযোগ সদস্যদের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দের জন্য সভাধিপতি কোনও বৈঠক ডাকেননি। শাহনাজ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ” প্রতিটি জেলা পরিষদের সদস্যকে ৭টি করে বাড়ি নির্দিষ্ট করে দিয়ে সংখ্যালঘু দপ্তরের যে চিঠিটি সভাধিপতিকে দেওয়া হয়েছে তাতে কারো কোন সই নেই। চিঠিটি জেলা পরিষদের গ্রুপে দেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। এরই সঙ্গে সাধারণ সভা ডাকতেও অনুরোধ করছি।”

জেলা পরিষদকে মোট কত বাড়ি দেওয়া হচ্ছে তাও তিনি জানেন না। সে কথাও তিনি জানতে চেয়েছেন। জেলা পরিষদের পুরনো মুখ শাহনাজ দাবি করেছেন, “এতোদিন জানতাম কোন দফতর একটা সংখ্যা বলে দেয়। মেম্বার পিছু কোটা ভাগ করার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট দফতর পালন করে বলে জানা ছিল না।” কিন্তু সে কথা সভাধিপতিকে সরাসরি না জানিয়ে ফেসবুকে কেন লিখলেন। তার উত্তরও ওই পোস্টে দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ” ক্ষমা করবেন, এই কথাগুলো বাধ্য হয়ে ফেসবুকে লিখতে হল। কেননা জেলা পরিষদের গ্রুপে আমাদের কথা বলার কোন সুযোগ নেই। শুধু এ্যাডমিনেরই এই সুযোগ আছে। তাছাড়া আমি কোন স্থায়ী সমিতিরও মেম্বার নই। ফলে আমার কোন বিষয়ে জানতে চাওয়ার এছাড়া কোন উপাই নেই।” সভাধিপতিকে এই বিষয়ে ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেন নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights