মুখ্যমন্ত্রীর সভা কাল, যানজটের শঙ্কা বহরমপুরে

Social Share
মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাস্থল

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ জনসভা করতে জেলায় এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলেই তিনি বহরমপুরে পৌঁছেছেন। আজ সেখান থেকেই গিয়েছিলেন মালদহের জনসভায়। বিজেপিকে লক্ষ্যে রেখে গাজোলে মুখ্যমন্ত্রী একদিকে যেমন রাজ্য সরকারের উন্নয়নের তালিকা তুলে ধরেছেন উপস্থিত কর্মী সমর্থকদের কাছে। তেমনি আগামীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসআইআরের কাজ নিয়েও তিনি দলের নেতা কর্মীদের আরও সক্রিয় হতে বলেছেন। মালদহবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ” আপনারা ভয় পাবেন না। কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে না। কাউকে পুশব্যাক করা হবে না। সবাই বাংলায় থাকবেন।”

মুর্শিদাবাদেও তাঁর সভার অভিমুখ হবে এসআইআর। এমনটাই দাবি জেলা নেতাদের একাংশের। যদিও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠা হওয়া নিয়ে এসআইআর আবহে চাপা উত্তেজনা টের পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন বলে গোঁ ধরেছেন। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বহরমপুরে তিনি বলেছেন যা বলার দল বলবে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বিধায়ককে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিলেও না রাজ্য সরকার না শাসক দল রাত পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি সরকারিভাবে। আগামীকালকের সভায় মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলেন কি না তার দিকেই তাকিয়ে জেলাবাসী।

মুখ্যমন্ত্রীর সভা বহরমপুর স্টেডিয়ামে। তার আগে বুধবার বিকেলে শেষ মুহুর্তের সভাস্থল পরিদর্শন করে এলেন তৃণমূল নেতারা। তৃণমূলের বহরমপুর সংগঠনের সভাপতি অপূর্ব সরকার, চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ, বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়, বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আইজুদ্দিন মন্ডলরা। মঞ্চ প্রস্তুতকারী ডেকরেটরকে শেষ বেলায় কোথায় কী হবে তা স্পষ্ট জানিয়ে দেন অপূর্ব। এদিন তাঁদের সঙ্গে সংখালঘু সেলের সভাপতি আবুল কাউসার, বিধায়ক মহ. আলি ছাড়াও তৃণমূল যুব সংগঠনের নেতা ভীষ্মদেব কর্মকার, ভাকুড়ি পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বিপ্লব কুন্ডুরাও সভাস্থলে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় গিয়েছিলেন খলিলুর রহমান, আখরুজ্জামানরা। প্রয়াত বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম ও ফরাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হকের ছবি থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায়, সেই ব্যবস্থাও করে যান অপূর্বরা।

তবে বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে চারদিকে ব্যস্ততা পুলিশ ও সাধারণ প্রশাসনেরও। স্টেডিয়ামের দিকে যাওয়ার সমস্ত রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানুষের চলাচলে রাশ টানা হয়েছে। সকাল থেকে জেলার ২৬টি ব্লক থেকে সমর্থকরা আসবেন। একদিকে স্কুলগুলিতে পরীক্ষা চলছে। অফিস আদালত খোলা। এই অবস্থায় কাল বহরমপুরে যানজটের পাশাপাশি গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লাগবে বলে আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। যদিও পুলিশ যানজটের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights