
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ কলকাতা হাইকোর্টের রায় পক্ষে গেল আন্দোলনকারীদের। বাধ্য হয়ে লোহার শেকল পড়ানো গার্ডরেল সরিয়ে রাস্তা ছাড়তে হল পুলিশকেই। এমনকি নয়া নগরপাল মনোজ ভার্মার জারি করা ১৬৩ ধারাও খারিজ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রবিকিশন কপূর।
রাজ্যের আইনজীবির ইউনেস্কোর স্বীকৃতি থেকে ২০১৮ সালের শাহিনবাগ মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতায় বিদেশি অতিথি আসা নিয়ে শীর্ষ আদালতের বিক্ষোভ সমাবেশে লাগাম টানা প্রসঙ্গ কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি আদালতে।
রানি রাসমণি রোডে আন্দোলনকারীদের ডাকা “দ্রোহের কার্নিভাল”এ যোগ দিতে সাধারণ মানুষের আর কোনও অসুবিধা থাকল না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের আইনজীবি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
আজ মঙ্গলবার কলকাতায় একদিকে সরকারের পুজো কার্নিভাল আর আন্দোলনকারীদের দ্রোহের কার্নিভাল, এই দুই নিয়ে গতকাল থেকে সরগরম কলকাতা। চাপা টেনশনও কাজ করছিল উভয়পক্ষের। ১১ অক্টোবর অনুমতি চেয়ে কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস। কিন্তু দ্রোহের কার্নিভালের অনুমতি না দিয়ে তা ঠেকাতে কলকাতা পুলিশ রানি রাসমণি রোড সংলগ্ন একাধিক জায়গায় ১৬৩ ধারা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডাক্তাররা।
এদিন হাইকোর্টের রায় শোনার পর উল্লাসে ফেটে পরেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে দ্রোহের কার্নিভালের পক্ষে কবি সব্যসাচী দেব সমাজমাধ্যমে লিখলেন, ” জানি না কখন শরতের কাশবনে/ জেগেছে অবাক কৃষ্ণচূড়ার লাল/ পলাশ ফুটেছে শিউলির বোঁটা জুড়ে/ শুরু হোক তবে দ্রোহের কার্নিভাল।”