সংবাদ প্রতিনিধি, কলকাতাঃ এ যেন ধ্বংসস্তুপ। রবিবারের পর সোমবার রাত গড়িয়ে মঙ্গলবার ভোর এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। এখনও দু’জনের খোঁজ মেলেনি। ইতিমধ্যে ন’জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে পুলিশ। দশ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা টিম।
মেটিয়াবুরুজের কাছে একটি হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ প্রমোটার ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে দুই প্রোমোটারকে গ্রেফতার করেছে। তবুও এলাকায় সরকার বিরোধী ক্ষোভ ধিক ধিক জ্বলছেই। তাতে ঘি ঢেলেছে স্থানীয় কাউন্সিলর শামস ইকবালের হয়ে মেয়রের সাফাই।
এমনিতেই ফিরহাদ হাকিমের নির্বাচনী কেন্দ্র হওয়ায় ভোটের মুখে বহুতল বিপর্যয়ে রঙ লেগেছে রাজনীতির। ফিরহাদ বামেদের দিকে প্রাথমিকভাবে বল ঠেলে দিলেও বামেরাও কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছে মন্ত্রী ববিকে। বিকাশ ভট্টাচার্য, মহঃসেলিম সূজন চক্রবর্তীরা বহুতল নির্মাণের নথি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছেন ববির কাছে।
এলাকার বাসিন্দারাও মেয়রের বিপক্ষেই সরব। বারবার অভিযোগ করা সত্বেও কেন বেআইনি পুকুর ভরাট, এক চিলতে গলিতে বহুতল নির্মাণ বন্ধ হয়নি। তারই জেরে গার্ডেনরিচ দেখল এই ধ্বংসস্তুপ আর মৃত্যু মিছিল, দাবি এলাকার বাসিন্দা গোলাম সিদ্দিকির। এলাকার কাউন্সিলরের গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন বাসিন্দাদের একাংশ। রাজ্যপাল সিভিআনন্দ বোস বলেছেন “হিউম্যান ফেলিওর”