আঁধার ঘোচাতে ভরসা যানবাহনের হেডলাইট

Social Share

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ বহরমপুর থেকে হরিহরপাড়া যাওয়া আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। ভাকুড়ি থেকে বহরমপুর-আমতলা রোড ধরে এগিয়ে গেলেই হরিহরপাড়া। পূর্ত দফতর তৈরি করে দিয়েছে প্রায় ১৮ কিমি পিচের চওড়া রাস্তা। গোটা কয়েক খানা খন্দ বাদ দিলে আধ ঘন্টা থেকে চল্লিশ মিনিটের মধ্যে হরিহরপাড়া থানা ছাড়িয়ে বেসরকারি বিএড কলেজ পর্যন্ত যেতে কোনও কষ্ট হবে না দিনের বেলায়।

কিন্তু যত অশান্তি অন্ধকার ঘনিয়ে এলে। গজধরপাড়া পার করে যত সামনের দিকে এগোনো যাবে ততই বাড়বে আঁধার। কুমড়োদহ ঘাটের (গোবরা নালা) ওপর প্রায় ৯০ মিটারের একটি সেতু। খানিক এগিয়ে হরিহরপাড়ার মুখে ভৈরব নদীর ওপর ৬০ মিটারের আরও একটি সেতু পার করে চোঁয়া। এই রাস্তাও আঁধারে ঢাকা। সেক্ষেত্রে সাহায্য বলতে মিলবে নানাবিধ যানবাহনের হেড লাইট। অথচ রাস্তার দু’পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে বিদ্যুতের তার।

হরিহরপাড়া পেরিয়ে ওই একই রাস্তার পাশে বিদ্যুতের সাব স্টেশনও আছে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে রাতে আলো ঝলমল করে। সেই আলো রাস্তায় ছিটকে পড়লে আঁধার একটু পাতলা হয়। একসময় কাঁটাবাগান এলাকায় ছিনতাই হওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। কুমরোদহ ঘাট ও কাঁটাবাগানের মাঝখানে একটি পুলিশ চৌকি বসায় এখন ছিনতাইয়ের ঘটনা তেমন একটা শোনা যায় না। কিন্তু পথের বিপদ কী একটা? দূর থেকে দোকানের টিমটিম আলো দেখলে বুকে বল আসে অতিথির।

কিন্তু কেন আলোর ব্যবস্থা করা যায়নি গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায়? এলাকার বর্তমান বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলছেন, ” আমরা ভাল রাস্তা করেছি। কিন্তু সত্যিই আলোর ব্যবস্থা করতে পারিনি। কীভাবে তা করা যায় এমনকি বিধায়ক তহবিল থেকেও তা করা যায় কি না তা আমি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি হয় তাহলে উদ্যোগ নিতে হবে।” প্রাক্তন বিধায়ক ইনসার আলি বলছেন, “বহুবার বিডিওদের বলেছি কিন্তু কিছুই হল না।” তাঁর সাংসদ এলাকাতে পরে না। কিন্তু সাংসদ আবু তাহের খান যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাকে এড়িয়েও যেতে পারেন না। তিনি বলছেন, ” আলোর ব্যবস্থা করলেই তো হবে না। বিল মেটাবে কে?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights