
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ আজ শনিবার ফের উত্তপ্ত হল বেলডাঙা। বিহারে কর্মরত এক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধরের ঘটনায় আজ ফের প্রতিবাদে নেমেছেন এলাকার মানুষজন। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ থেকে রেল অবরোধ, ভাঙচুর সমানে চলে আজকেও। আবারও সাংবাদিকদের গায়ে হাত উঠেছে উত্তপ্ত বেলডাঙায়। ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে পুলিশ ও কি অবস্থার শিকার?
মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ সুপারকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল বিকেলে উত্তেজিত জনতাকে ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে এসেছিলেন। কথা দিয়েছিলেন টোল ফ্রি নম্বর চালু হবে। উঠে গিয়েছিল অবরোধ। বেলডাঙা থেকে ফিরে রাতের মধ্যেই নির্দিষ্ট নম্বর চালু করেছেন জেলাশাসক। সেই কথা রাখার পরেও শনিবার ফের এক ছবি বেলডাঙায় ধরা পড়লো। আর এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদের পুলিশের ভূমিকা শুধু নয়, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ব্যর্থতা বলেই দাবি তুলছেন বিরোধীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশের বাহিনী হাজির হলেও তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলে দাবি বিক্ষোভের জেরে আটকে থাকা মানুষজনের। পুলিশ কেন বাড়তি বাহিনী আগাম প্রস্তুত রাখেনি? কেন পুলিশের কাছে আগাম খবর থাকছে না, উঠছে সেই প্রশ্নও।

এলাকার বিধায়ক হাসানুজ্জামান কোথায়? এই প্রশ্ন উঠেছে। কেন উত্তেজিত জনতাকে থামাতে মাঠে নামছেন না শাসকদলের জনপ্রতিনিধিরা? সেই প্রশ্ন তুললে বিধায়ক বলেন, ” এই ধরনের উন্মত্ত জনতা বেলডাঙায় বাড়ি হলেও তারা থাকে বাইরে। অশিক্ষিত মানুষজন এসে অবরোধ করছে। বোঝালে বুঝতে চাইছে না। প্রয়োজন প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ। ” যদিও শেষ পাওয়া খবর, ওপর মহলের সবুজ সংকেত পেয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও চালু হয়েছে রেল চলাচল। উঠেছে অবরোধও।