সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ আরজিকর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক নিহতের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছেই। তারমধ্যে হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়ে পথে নেমেছেন এসইউসিআই এর কর্মীরা। বাংলায় তার মিশ্র প্রভাব পড়েছে। যেখানে দূর্বল সংগঠন এসইউসি’র সেখানে অবশ্য জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে।
উত্তর থেকে দক্ষিণ একাধিক জায়গায় সকাল থেকে রেলের চাকা গড়াইনি । বেসরকারি বাস অনেক জায়গায় থমকে গেলেও সরকারি বাস পরিষেবা অবশ্য বজায় আছে। তবে রাজ্যের স্কুল গুলিতে এই সময় পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষাকে অবশ্য বনধের আওতায় আনা হয়নি বলেই দাবি করেছেন ধর্মঘটিরা। এদিন সকালে কোচবিহারে পুলিশের সঙ্গে এসইউসিআই কর্মীদের বচসা হয়। যা পরে ধ্বস্তাধ্বস্তিতে গড়ায়। উত্তরদিনাজপুর, বালুরঘাট, দিনহাটাতেও হরতাল ঘিরে অশান্তির খবর পৌঁছেছে। মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে বনধের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন এসইউসিআই কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার রাতেই সরকারি কার্যালয়ের প্রবেশ দ্বারে দলীয় পতাকা টাঙিয়ে আজ বাংলা অচলের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তাঁরা। তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য ধর্মঘটকে গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেছেন, “বাংলায় কোনও বনধ হয় না। কারণ বাংলায় বনধ ডাক বন্ধ করা আছে। যে বনধে জয়েন করবে, সে নিজেরটা বুঝে নেবে। আমি সবাইকে আবেদন করব সব খোলা রাখতে। বাংলাকে অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সন্ত্রাস করার একটা চক্রান্ত চলছে বাম আর রামের।”