চলতি বছর নভেম্বরের ১৬ তারিখ বেলডাঙায় ঘটনাটি ঘটে। তার জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় বেলডাঙায়। হিংসাত্মক ঘটনা এড়াতে পুলিশ ছ’দিনের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।

সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল বেলডাঙা কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। যদিও স্পর্শকাতর ঘটনার দরুণ পুলিশ মূল অপরাধী ধরা পড়ার খবর চেপে যায়। সূত্রের দাবি, দিন তিনেক আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে এক কলেজ পড়ুয়াকে। পুলিশের দাবি, সে কৃষ্ণনগর পলিটেকনিক কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মূলত তার বুদ্ধিতেই কার্তিক পুজোর মণ্ডপের আলোকসজ্জার ডিজিটাল বোর্ডের লেখা বদলে যায়। মূলত অতি উৎসাহের বসেই সে ডিজিটাল বোর্ডের লেখা বদলে একটি বিতর্কিত লেখা লিখেছিল। চিনা কোম্পানির ওই ডিজিটাল বোর্ডের লেখা অ্যাণ্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপসের মাধ্যমে বদলে ফেলা যায়।
চলতি বছর নভেম্বরের ১৬ তারিখ বেলডাঙায় ঘটনাটি ঘটে। তার জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় বেলডাঙায়। হিংসাত্মক ঘটনা এড়াতে পুলিশ ছ’দিনের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রশাসনের একাধিকবার বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে মেলে শান্তির পথ। যদিও সেই সময় পুলিশ আয়োজক পুজো কমিটির সম্পাদক ও সভাপতি সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। একইসঙ্গে ঘটনার তদন্তও শুরু করে বেলডাঙা থানার পুলিশ। যদিও খড়ের গাদায় সূঁচ খোজার পরিস্থিতি তৈরি হয় পুলিশ মহলে। এদিকে মূল অপরাধীকে খুঁজে বার করে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয় সবপক্ষ। চাপ বাড়তে থাকে পুলিশর ওপর।
একটি অসমর্থিত সূত্রের দাবি, ওই ডিজিটাল বোর্ড প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দিল্লি থেকে তাঁদের এক কর্মীকে বেলডাঙা থানায় পাঠায়। সেই কর্মী বিষয়টি উদ্ধার করে ও মূল অপরাধীর ফোনের আইপি অ্যাড্রেস শনাক্ত করে। ওই সূত্রের দাবি, এই কাজ করার সময় ওয়াইফাই ব্যবহার করেছিল ধৃত। অবশেষে দিন তিনেক আগে গ্রেফতার হওয়া ওই কলেজ পড়ুয়াকে দশ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।