
সংবাদ হাজারদুয়ারি ওয়েবডেস্কঃ সাধারণ মানুষ ভিড় করে এলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শো-তে। যেটুকু যা আওয়াজ হলো তা মাইকে বাজানো গান আর ছাত্র-যুবদের উল্লাস। নতুন যুগের নেতাকে স্বাগত জানাতে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে যে পতাকা দুললো তার মধ্যে মিশে ছিল শ্রমিক সংগঠনের পতাকা। মূল দলের পতাকা নাড়ানোর মতো মানুষের না কি আগ্রহই নেই। বলছেন ভিড়ে করে আসা তৃণমূল নেতাদেরই একাংশ। মুর্শিদাবাদে তবে কি তৃণমূলের গ্রহণ যোগ্যতা কমছে ? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
মাস দেড়েক আগে বহরমপুরে জনসভা করতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভাতেও ভিড় জমেনি। নেতারা দাবি করেছিলেন, মাঠে ধান কাটতে ব্যস্ত থাকায় অনেকে আসতে পারেননি সভায়। জনপ্রিয় নেতার কপ্টার নামবে আর সাধারণ মানুষ ভিড় ঠেলে এ ওর কাঁধে ভর দিয়ে উঁকি মেরে এক ঝলক মুখটুকু দেখে নিতে চাইবেন, তাতেই তৃপ্তি। এই ছবি ও চেহারা দেখেই অভ্যস্থ বহরমপুর। শনিবার অভিষেকের কপ্টার বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে। কিন্তু সেখানেই ভিড় করে আসেন নি তৃণমূল কর্মীরা। ভিড় ছিল না সাধারণ মানুষের। অথচ কথা ছিল পঞ্চাশ হাজার জমায়েতের।
স্টেডিয়ামকে সামনে রেখে মঙ্গলপান্ডের মূর্তির বাম দিক-ডানদিক ধরলে পিছনের অংশে রেল স্টেশন। সেই রাস্তা দিয়ে যাঁরা এলেন তাঁদের সংখ্যাও হাতে গোনা। তার একটা যুক্তিগ্রাহ্য কারণ, বেলডাঙায় ভাঙচুর ও রেল অবরোধের প্রভাব হলেও হতে পারে। বাকি দু’দিকের রাস্তা ধরে যাওয়া একটা অংশের মানুষ দাঁড়ানোর প্রয়োজনই মনে করলেন না। বহরমপুর থানার সামনের রাস্তায় নেতাকে দেখে যারা পতাকা দুলিয়েছেন তাদের একাংশের হাতে ছিল শ্রমিক সংগঠনের পতাকা । অভিষেকও গাড়ি থেকে তাদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়েছেন।
তারপর যা ভিড় হল, তা মোহনা বাসস্ট্যাণ্ড চত্বরে। ওইটুকু জমায়েত না হলে মুখ পুড়তো তৃণমূলের জেলা নেতাদের, বলছেন তৃণমূলেরই একাংশ নেতা। তারপর মেরেকেটে ৫৫০ মিটার রাস্তা জুড়ে অভিষেকের যে রোড শো হলো জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তাতে স্বতস্ফূর্ততা ছিল না বললেই চলে। ডিভাইডারের দু-দিকে যে উল্লাস তাকে ছাপিয়ে বাজলো ” যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা”। আর সেই সুরে গলা মেলালেন যাঁরা, তাঁরা হয় যুব সংগঠন না তো ছাত্র সংগঠনের কর্মী। গীর্জার মোড়ের তিনদিকের জমায়েতের লেজ গড়ায় নি একশো মিটার অবধি। কেউ কেউ বলছেন বেলডাঙা কান্ডের জন্য মানুষ এলাকা ছাড়তে ভয় পেয়েছেন।
সেক্ষেত্রে দক্ষিণের বিধানসভা চোট পেলে সংখ্যাটা সর্বোচ্চ তিনটে। মুর্শিদাবাদ,ভগবানগোলা থেকে লোক জাতীয় সড়ক ধরে অনায়াসে আসতে পরতো। যতটা আসার ছিলো ততটা আসেনি। বহরমপুর তৃণমূলমুখী বলে প্রচার করেন নেতারা। অভিষেকও গাড়ির মাথা থেকে গির্জার মোড়ে আগামী বিধানসভা তৃণমূলের দখলে আনতে অনুরোধ করেছেন। শহর জুড়ে দুই নেতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় ও ভীষ্মদেব কর্মকারের টক্কর দেওয়া হোর্ডিং, ব্যানার। অথচ পুরসভা ছাড়া বিধানসভা থেকে লোক কেন সভায় আসেন না ? কিসের অনিহা ? এই প্রশ্ন তুলছেন তৃণমূলের খেটে হওয়া নেতারা। অথচ ডোমকলে হুমায়ুন কবীরের জনসভায় উপচে পড়েছিল ভিড়।
গাঁজা খেয়ে খবর গিরি করলে এই সবই লিখবেন , ছবি পৌষ্ট করার অপশন নেই তা না হলে দেখাতাম লোক কত ছিলো , সকালে গাঁজা খেলে এমন ই ভুল ভাল খবর লিখবে 😂😂😂